লোড হচ্ছে...
মাস্কাট: ফ্লাইট বিলম্ব, বাতিল কিংবা বিমানে উঠতে বাধা দেওয়ার কারণে ওমানে গত এক বছরে আনুমানিক ১ লাখ ১৭ হাজার যাত্রী ক্ষতিপূরণ পাওয়ার যোগ্য হতে পারেন। ...
মাস্কাট: ফ্লাইট বিলম্ব, বাতিল কিংবা বিমানে উঠতে বাধা দেওয়ার কারণে ওমানে গত এক বছরে আনুমানিক ১ লাখ ১৭ হাজার যাত্রী ক্ষতিপূরণ পাওয়ার যোগ্য হতে পারেন। দাবি নিষ্পত্তি সংস্থা এয়ারহেল্পের এক বিশ্লেষণে এ তথ্য উঠে এসেছে।
এয়ারহেল্পের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত ওমানের যাত্রী অধিকার বিধিমালার আওতাভুক্ত ফ্লাইটগুলোর তথ্য পর্যালোচনা করে এ হিসাব করা হয়েছে। যোগ্য যাত্রীরা ফ্লাইটের দূরত্ব ও প্রযোজ্য শর্ত অনুযায়ী সর্বোচ্চ ২৬০ ওমানি রিয়াল পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ পেতে পারেন।
সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক রুটে চূড়ান্ত গন্তব্যে ছয় ঘণ্টার বেশি বিলম্ব, যাত্রার ১৪ দিনের কম সময় আগে ফ্লাইট বাতিল কিংবা যাত্রীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিমানে উঠতে বাধা দেওয়ার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শর্তে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
ফ্লাইটের দূরত্ব অনুযায়ী ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়। ১ হাজার ৫০০ কিলোমিটারের কম দূরত্বের ফ্লাইটের জন্য ১০৮ রিয়াল, ১ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার ৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত দূরত্বের জন্য ১৭৩ রিয়াল এবং এর চেয়ে দীর্ঘ রুটের জন্য সর্বোচ্চ ২৬০ রিয়াল ক্ষতিপূরণ দেওয়া হতে পারে।
ওমানের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ ২০২৪ সালে যাত্রী অধিকার সুরক্ষায় এই বিধিমালা প্রবর্তন করে। ওমান এয়ার ও সালামএয়ারসহ ওমানি বিমান সংস্থাগুলোর পরিচালিত সংশ্লিষ্ট ফ্লাইটের ক্ষেত্রে এ বিধিমালা প্রযোজ্য।
এয়ারহেল্প আরও জানিয়েছে, নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে বিমান সংস্থাগুলোকে যাত্রীদের খাবার, হোটেল ও যাতায়াতের ব্যবস্থা করতে হয়। তবে দৈবদুর্বিপাকজনিত পরিস্থিতি বা বিকল্প ফ্লাইটের মাধ্যমে নির্ধারিত শর্তে গন্তব্যে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের নিয়ম ভিন্ন হতে পারে।
সংস্থাটির দাবি, যোগ্য যাত্রীরা ক্ষতিপূরণের জন্য দুই বছরের মধ্যে আবেদন করতে পারবেন। তাই ওমানে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিসহ সংশ্লিষ্ট যাত্রীদের ফ্লাইট বিলম্ব বা বাতিলের ঘটনা ঘটলে টিকিট, বোর্ডিং পাস ও সংশ্লিষ্ট নথি সংরক্ষণ করে প্রযোজ্য নিয়ম যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
সূত্র: এয়ারহেল্প
Google AdSense Space
গুগল অ্যাডসেন্স অনুমোদনের পর এখানে বিজ্ঞাপন প্রদর্শিত হবে